Severity: Warning
Message: The use statement with non-compound name 'IntlDateFormatter' has no effect
Filename: news/news-download.php
Line Number: 5
Severity: Warning
Message: The use statement with non-compound name 'IntlCalendar' has no effect
Filename: news/news-download.php
Line Number: 6
Severity: Notice
Message: Undefined variable: bar
Filename: news/news-download.php
Line Number: 228
প্রকাশিত: 07:46:47 am, 2022-08-29 | দেখা হয়েছে: 1062 বার।
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
সুইস ব্যাংকে অর্থ রাখা বাংলাদেশিদের তথ্য জানানোর বিষয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ডের বক্তব্য ভুল ছিল বলে স্বীকার করেছে’ সুইস অ্যাম্বাসি। এই স্বীকারোক্তির মধ্যে দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের অন্যরকম এক বিজয় হয়েছে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষক মহল।
বিশেষত মন্ত্রী রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের পরপরই বিষয়টি দৃঢ়তার সঙ্গেই চ্যালেঞ্জ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য সত্য নয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও ফিন্যান্স সেক্রেটারি আমাকে আগে জানিয়েছিলেন, তারা তথ্য চেয়েছিলেন, তারা (সুইস ব্যাংক) উত্তর দেননি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেনের এই বক্তব্যের পর একটি শ্রেণি তার বক্তব্যের প্রেক্ষিতে নানামুখী অপপ্রচার শুরু করেন। কেউ কেউ তাকে রীতিমতো ছবকও দিতে শুরু করেন। কিন্তু মন্ত্রী নিজের বক্তব্যে অনড় ছিলেন। তিনি যে সঠিক এবং দায়িত্বশীল কথাই বলেন, এই বিষয়টি প্রমাণিত হয়েছে। পাশাপাশি কারণে-অকারণে কোন কিছুই ভালো লাগে না রোগে আক্রান্তরাও এখন মুখে কুলুপ এঁটেছেন।
শনিবার (২৭ আগস্ট) হাইকোর্টে একটি প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলেও সুইস ব্যাংকের তথ্য চাওয়া নিয়ে বক্তব্য ভুল ছিল বলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে সুইস অ্যাম্বাসি।
গত ১৪ আগস্ট সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশি ব্যক্তিদের অর্থ রাখার বিষয়ে তথ্য জানাতে সর্বমোট ৩ বার চিঠি দেওয়া হয়েছিলো বলে হাইকোর্টকে জানায় বাংলাদেশ ফিনান্সিয়াল ইন্টিলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
তখন সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশি ব্যক্তিদের অর্থ রাখার বিষয়ে তথ্য জানানোর বিষয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাথালি চুয়ার্ডের বক্তব্য প্রত্যাহার করা ছাড়া কোনও উপায় নেই বলে মন্তব্য করেন হাইকোর্ট।
সূত্র মতে, সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের বিষয়ে সত্য উচ্চারণের মাধ্যমে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নৈতিক দৃঢ়তার প্রমাণ হওয়ায় সোশ্যাল মিডিয়ায় সব সময়ই সমালোচনায় মুখর স্বাধীনতা বিরোধী চক্র ফুটো বেলুনের মতো চুপসে গেছেন। অনেকেই প্রকাশ্যে না বললেও আড়ালে-আবডালে মন্ত্রীর প্রশংসা করছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে দেখা গেছে, কয়েকটি বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য মিডিয়ায় ভিন্নভাবে উপস্থাপনের মাধ্যমে তাকে বিতর্কিত করার ষড়যন্ত্র শুরু হয়। মন্ত্রী দু’একবার এ নিয়ে আক্ষেপ করলেও টনক নড়েনি তাদের। সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে জলঘোলা করার অপচেষ্টা করা হলেও সুইস অ্যাম্বাসির ভুল স্বীকারের পর এখন কীনা কারও কারও মাথায় হাত পড়েছে। গজর গজর ভঙ্গিতেই এখন কীনা তারাই বলছেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রীই সত্য!
সম্পাদক ও প্রকাশকঃ মোঃ আব্দুর রউফ মন্ডল ফোনঃ ০১৭৩৯-৫৯১২০৫, ০১৯১৭-২৮২৬১১। ই-মেইলঃ info@ebfnews.com.